আগিয়া ইউনিয়নকে আধুনিক মডেল ইউনিয়নে গড়ার প্রত্যয় শাকিল হায়াত খান বাদশার। - ভোরের সময় অনলাইন আগিয়া ইউনিয়নকে আধুনিক মডেল ইউনিয়নে গড়ার প্রত্যয় শাকিল হায়াত খান বাদশার।

বেকিং নিউজ

[getTicker results="10" label="random" type="ticker"]

Header Adds



আগিয়া ইউনিয়নকে আধুনিক মডেল ইউনিয়নে গড়ার প্রত্যয় শাকিল হায়াত খান বাদশার।

দীর্ঘদিনের জনসম্পৃক্ততা, সমাজসেবা ও উন্নয়ন পরিকল্পনায় স্থানীয়দের আস্থার প্রতীক; নির্বাচিত হলে স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও সেবামুখী ইউনিয়ন পরিষদ গড়ার অঙ্গীকার


নিজস্ব প্রতিনিধি, পূর্বধলা (নেত্রকোনা):
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার ৭ নম্বর আগিয়া ইউনিয়নে নির্বাচনী আমেজ দিন দিন তীব্র হচ্ছে। সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের গণসংযোগ, মতবিনিময় সভা ও জনসম্পৃক্ত কর্মকাণ্ডে সরগরম হয়ে উঠেছে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা। এ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আলোচিত সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে অন্যতম উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও সমাজসেবক শাকিল হায়াত খান বাদশা

আগিয়া ইউনিয়নের বাট্রা গ্রামের সন্তান শাকিল হায়াত খান বাদশা দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি, সমাজসেবা ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন বলে স্থানীয়দের দাবি। রাজনৈতিক পরিচয়ের পাশাপাশি একজন মানবিক, উদ্যমী ও উন্নয়নমনস্ক তরুণ নেতৃত্ব হিসেবে তিনি ইউনিয়নজুড়ে পরিচিতি লাভ করেছেন।

বর্তমানে তিনি পূর্বধলা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে নেত্রকোনা জেলা যুবদলের তথ্য ও বিজ্ঞানপ্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক, উপজেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং আগিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।

পারিবারিকভাবেও তিনি একটি শিক্ষিত ও ঐতিহ্যবাহী পরিবারের সদস্য। তাঁর বাবা মরহুম শিকান্দার হায়াত খান মঞ্জু ছিলেন পূর্বধলা জগৎমণি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক। দাদা আব্দুর রহমান খানও একই বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর নানা ছিলেন মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, বাংলাদেশের সংবিধানের স্বাক্ষরকারী এবং পূর্বধলার সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম নাজমুল হুদা।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, নির্বাচনকে সামনে রেখে নয়, বরং দীর্ঘদিন ধরেই শাকিল হায়াত খান বাদশা সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থেকে কাজ করে আসছেন। করোনা মহামারির সময় খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তা, বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানো, কাঁচা রাস্তা সংস্কার, নতুন সড়ক নির্মাণে উদ্যোগ গ্রহণ, অসহায় মানুষের সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা নিশ্চিত করতে সহযোগিতা, মসজিদ-মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সহায়তা এবং অসচ্ছল রোগীদের চিকিৎসায় সহযোগিতার মতো নানা কর্মকাণ্ডে তাঁর সক্রিয় ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন তারা।

এছাড়াও তরুণদের খেলাধুলা, শিক্ষা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ এবং মাদক, সন্ত্রাস ও জুয়ামুক্ত সমাজ গঠনে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার কারণেও তিনি ইউনিয়নের তরুণদের কাছে একজন জনপ্রিয় সংগঠক হিসেবে পরিচিত বলে স্থানীয়দের অভিমত।

গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শাকিল হায়াত খান বাদশা বলেন,
"আমি নির্বাচিত হলে দল-মত নির্বিশেষে আগিয়া ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষের সেবক হিসেবে কাজ করব। জনগণের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও দুর্নীতিমুক্ত ইউনিয়ন পরিষদ গড়ে তুলব। উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, মানসম্মত শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনই হবে আমার অগ্রাধিকার।"

তিনি আরও বলেন,
"আগিয়া ইউনিয়ন দীর্ঘদিন ধরে নানা উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। জনগণ আমাকে সুযোগ দিলে ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন, প্রযুক্তিনির্ভর ও আদর্শ মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করব। ইউনিয়নের প্রতিটি নাগরিক যেন ঘরে বসেই প্রয়োজনীয় সেবা পায়, সেই লক্ষ্যেই কাজ করতে চাই।"

স্থানীয় কয়েকজন শিক্ষক, ব্যবসায়ী ও সমাজসেবীর ভাষ্য, শাকিল হায়াত খান বাদশার বিনয়ী আচরণ, সাংগঠনিক দক্ষতা, শিক্ষিত পারিবারিক ঐতিহ্য এবং দীর্ঘদিনের জনসম্পৃক্ততা তাঁকে সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে। উন্নয়ন ও জনকল্যাণে তাঁর ধারাবাহিক ভূমিকার কারণে ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে ইতিবাচক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে বলেও তারা মন্তব্য করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আগিয়া ইউনিয়নে এবারের নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, সামাজিক কর্মকাণ্ড এবং জনসংযোগের কারণে শাকিল হায়াত খান বাদশা সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মধ্যে অন্যতম আলোচিত নাম হিসেবে উঠে এসেছেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ