লাকড়ির টাকা দিতে গিয়ে পূর্বধলায় গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ। - ভোরের সময় অনলাইন লাকড়ির টাকা দিতে গিয়ে পূর্বধলায় গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ।

বেকিং নিউজ

[getTicker results="10" label="random" type="ticker"]

Header Adds



লাকড়ির টাকা দিতে গিয়ে পূর্বধলায় গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ।

প্রতিবেশী যুবকের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ, হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত্যু; অভিযুক্ত পলাতক

মোঃ শাহিন খন্দকার, পূর্বধলা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি:
নেত্রকোনার পূর্বধলায় লাকড়ি বিক্রির টাকা পরিশোধ করতে গিয়ে দিলু আরা (৪০) নামে এক গৃহবধূকে ওড়না দিয়ে গলায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী এক যুবকের বিরুদ্ধে। গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত যুবক পলাতক রয়েছেন।

রোববার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যায় উপজেলার ১২ নম্বর বৈরাটি ইউনিয়নের লালচাপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত দিলু আরা ওই গ্রামের সৌদি আরবপ্রবাসী এনামুল হকের স্ত্রী। এ ঘটনায় একই গ্রামের জাহাঙ্গীর চৌধুরীর ছেলে বাবুল মিয়া (৩০)-এর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাবুল মিয়া দিলু আরার কাছে আমগাছের কিছু লাকড়ি বিক্রি করেছিলেন। রোববার সন্ধ্যায় ওই লাকড়ির টাকা পরিশোধ করতে দিলু আরা বাবুল মিয়ার বাড়িতে যান। সেখানে যাওয়ার পর ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে বাবুল মিয়া অসৎ উদ্দেশ্যে দিলু আরাকে ওড়না দিয়ে গলায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, পরে গুরুতর আহত অবস্থায় দিলু আরাকে বাড়ির পাশের আজিজুলের বাঁশঝাড়ের জঙ্গলে ফেলে রেখে যাওয়া হয়।

খবর পেয়ে শ্যামগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক সেন্টু মিয়াসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহযোগিতায় দিলু আরাকে উদ্ধার করে। তখনও তার শ্বাস-প্রশ্বাস চলছিল। পরে তাকে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে রাত আনুমানিক ৯টার দিকে দিলু আরাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, খবর পেয়ে শ্যামগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছেন। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

ওসি আরও বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। অভিযুক্ত বাবুল মিয়াকে আটকের চেষ্টা চলছে।

নোট: অভিযোগের সত্যতা ময়নাতদন্ত ও তদন্ত শেষে নিশ্চিত হবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ