তিনজন আহত, থানায় লিখিত অভিযোগ
পূর্বধলা (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি: নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার খলিশাউড় ইউনিয়নের লক্ষীপুর গ্রামে হাঁসের কারণে ধানের বীজতলা নষ্ট হওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের বিরোধের জেরে বসতভিটার প্রায় ২০টি ফলজ ও বনজ গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। একই ঘটনায় হামলায় তিনজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে পূর্বধলা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৭ জুলাই লক্ষীপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. হাবিবুর রহমানের ছোট ভাই মো. জিয়াউর রহমানের ধানের বীজতলা প্রতিবেশী বড় ভাই ফজলুর রহমানের হাঁসে নষ্ট করে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রথমে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ফজলুর রহমান, তার স্ত্রী মমতাজ বেগম এবং তাদের তিন ছেলে আপেল মিয়া, রোহান মিয়া ও সুমন মিয়া দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।এ হামলায় জিয়াউর রহমান, তার স্ত্রী নাজমা খাতুন ও ছেলে রিয়াদ শেখ আহত হন। পরে অভিযুক্তরা হাবিবুর রহমানের বসতভিটায় থাকা ১২টি সুপারি গাছ, চারটি আমগাছ, একটি কাঁঠালগাছ, একটি জাম্বুরা গাছসহ কয়েকটি চারা গাছ কেটে ফেলেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া রান্নাঘরে ভাঙচুর চালিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এতে প্রায় এক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন অভিযোগকারী।
হাবিবুর রহমান বলেন, “আমার বসতভিটার ফলজ গাছগুলো কেটে বড় ধরনের ক্ষতি করা হয়েছে। আমি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা চাই।”
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত রোহান মিয়া গাছ কাটার বিষয়টি স্বীকার করলেও মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেন।
এ বিষয়ে পূর্বধলা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোজাম্মেল হোসেন বলেন, “লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে গাছ কাটার ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। অভিযোগের অন্যান্য বিষয় তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


0 মন্তব্যসমূহ