পূর্বধলায় জমি বিরোধে বৃদ্ধাকে পিটিয়ে আহত, বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ। - ভোরের সময় অনলাইন পূর্বধলায় জমি বিরোধে বৃদ্ধাকে পিটিয়ে আহত, বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ।

বেকিং নিউজ

[getTicker results="10" label="random" type="ticker"]

Header Adds



পূর্বধলায় জমি বিরোধে বৃদ্ধাকে পিটিয়ে আহত, বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ।

মামলার পর গাছ কেটে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ; এক আসামি গ্রেপ্তার, তদন্তে পুলিশ



পূর্বধলা (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি: নেত্রকোণার পূর্বধলা উপজেলার জারিয়া ইউনিয়নের পূর্ব মৌদাম গ্রামে জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধকে কেন্দ্র করে একটি বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট এবং এক বৃদ্ধাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের পর পুনরায় গাছ কেটে ফেলা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে একটি সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করা হয়েছে। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ জুলাই সকালে পূর্ব মৌদাম গ্রামের বাসিন্দা কাঞ্চন মালার বাড়িতে একই এলাকার কয়েকজন ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে প্রবেশ করেন। অভিযোগ রয়েছে, তারা বসতঘরের বেড়া ও দরজা ভাঙচুর করেন এবং বাধা দিতে গেলে কাঞ্চন মালার ৮০ বছর বয়সী মা আমেনা খাতুনকে মারধর করেন। এতে তাঁর বাম হাতের কবজির হাড় ভেঙে যায় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময় ঘর থেকে নগদ ৩০ হাজার টাকা ও প্রায় ১ লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।

স্থানীয়দের সহায়তায় আহত আমেনা খাতুনকে উদ্ধার করে পূর্বধলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে এ ঘটনায় গত ২২ জুলাই কাঞ্চন মালা বাদী হয়ে পূর্বধলা থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে এক নম্বর আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।

বাদীপক্ষের অভিযোগ, পরদিন অন্য আসামিরা জামিনে মুক্ত হয়ে তাঁদের বাড়ির পাশে থাকা তিনটি কলাগাছ ও একটি সুপারি গাছ কেটে ফেলেন। একই সঙ্গে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ২৪ জুলাই পূর্বধলা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মামলার আসামি শাহীন বেগ। তিনি দাবি করেন, বিরোধপূর্ণ জমির বৈধ মালিক তাঁদের পরিবার এবং প্রতিপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে জোরপূর্বক জমিটি দখল করে রেখেছে। মারধর, ভাঙচুর, লুটপাট ও গাছ কাটার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে তিনি দাবি করেন।

এ বিষয়ে পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, "মামলার এক নম্বর আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পরে অন্য আসামিরা আদালত থেকে জামিন পেয়েছেন। এ ঘটনায় একটি সাধারণ ডায়েরিও হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

পুলিশ জানিয়েছে, উভয় পক্ষের বক্তব্য ও প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ঘটনাটি তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ